প্রিন্ট এর তারিখঃ Oct 14, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Oct 14, 2026 ইং
কালো ধান চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা

কুড়িগ্রাম সংবাদদাতাঃ
“ব্লাক রাইস” চাষে সফলতা পেয়েছেন আজমল কবির মনি নামে এক চাষী। তিনি এবার এক বিঘা জমিতে এ ধান চাষাবাদ করেছেন। ধানের ভাল ফলন দেখে বিভিন্ন এলাকার লোকজন আসছে এই ধান দেখতে। এই চাষীর বাড়ি কুড়িগ্রামের রাজারহাট ইউনিয়নের বোতলার পাড় গ্রামে।
জানা যায়, ব্যতিক্রম কিছু করার আগ্রহ থেকেই তিনি এক বিঘা জমিতে কালো ধানের চাষ করেছেন। ধানের বীজ অনলাইনে দেখে আগ্রহ হয়েছে। পরবর্তী অনলাইন থেকে অর্ডার দিয়ে নিয়ে এসে দেড় মাস আগে জমিতে লাগিয়েছিন তিনি।
পুষ্টিবিদদের মতে ব্লাক রাইস বা কালো ধানের চাল সাধারণত কালচে বা গাঢ় বেগুনি রঙের হয়ে থাকে। এর বাইরের স্তরে অ্যান্থোসায়ানিন নামের প্রাকৃতিক রঞ্জক থাকে, যা অ্যান্টিঅঙ্েিডন্ট হিসেবে পরিচিত। এ ছাড়া কালো চালে খাদ্য আঁশসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এ কারণে স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের মধ্যে কালো চাল নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, নতুন কোনো জাতের ধান চাষের ক্ষেত্রে ফলন, উৎপাদন খরচ, রোগ বালাইয়ের প্রকোপ, স্থানীয় আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর সক্ষমতা এবং বাজারদর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ সব দিক ইতিবাচক হলে কালো ধান কৃষকদের জন্য নতুন আয়ের সুযোগ তৈরি করতে পারে।
ব্লাক রাইস চাষী কৃষক আজমল কবির মনি জানান, বাপ দাদা সারাজীবন দেশীয় বীজ দিয়ে ধান চাষ করে আসছেন। আমি ভিন্ন চিন্তা থেকে ব্লাক রাইস ধান লাগিয়েছি। এলাকার অনেকেই এ জাতীয় ধান লাগাতে নিষেধ করেছেন। তবুও তাদের কথা উপেক্ষা করে লাগিয়েছি। আশা করছি ফলন ভালো হবে। ভালো ফলন পেলে পরবর্তী বেশি পরিমাণে লাগানোর চিন্তা আছে।
রাজারহাট উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা তুষার কান্তি রায় জানান, ব্লাক রাইস বা কালো ধান বিঘায় ১৭-১৮ মণ হয়। ফলন কম হলেও বাজারদর প্রতি মণ আনুমানিক ১৫০০-১৬০০ টাকা হওয়ায় কৃষক পোষাতে পারেন।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়