প্রিন্ট এর তারিখঃ Oct 19, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Oct 19, 2026 ইং
তরমুজ চাষে মিজানের বাজিমাত

ভোলা সংবাদদাতাঃ
অসময়ের তরমুজ চাষাবাদে বাজিমান করেছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের কৃষক মিজান। এ ছাষাবাদ থেকে তিনি এবার ভাল টাকা লাভের আশা করছেন।
মিজানের তরমুজের খেতে গিয়ে দেখা যায়, সবুজ লতার ভেতর সারি সারি তরমুজ। খেত থেকে সদ্য তোলা তরমুজ কেটে দেখা যায় টকটকে লাল শাঁস। স্বাদেও বেশ মিষ্টি ও রসালো। তার লতার ফাঁকে ফাঁকে ঝুলছে রসালো তরমুজ। চারদিকে যখন ধান ও শীতকালীন সবজির চাষ নিয়ে ব্যস্ত কৃষকরা, তখন ভিন্নধর্মী উদ্যোগে অফ-সিজনে তরমুজ চাষ করে সাফল্যের মুখ দেখেছেন এই কৃষক। প্রচলিত ধারণাকে পাশ কাটিয়ে অসময়ে তরমুজ চাষ করে ইতোমধ্যে এলাকায় সাড়া ফেলেছেন তিনি।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, অসময়ে তরমুজ উৎপাদন হওয়ায় বাজারে-এর চাহিদা রয়েছে। মিজানের সফলতা দেখে অনেক কৃষকই এখন অফ-সিজন তরমুজ চাষের বিষয়ে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
তরমুজ চাষী মিজান জানান, আমি ইউটিউব থেকে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে অফ-সিজনের জাত চাষের উদ্যোগ নিই। আল্লাহর রহমতে ফলন ভালো হয়েছে। বাজারে দামও ভালো পাচ্ছি। অনেকে বলেছিলেন এই সময়ে তরমুজ চাষ করা সম্ভব নয়। তার মতে প্রচলিত সময়ের বাইরে তরমুজ চাষ করায় বাজারে তুলনামূলক ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে। সঠিক জাত নির্বাচন, পরিচর্যা ও কৃষি বিভাগের পরামর্শ মেনে চললে অন্য কৃষকরাও এভাবে লাভবান হতে পারবেন।
চরফ্যাশন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নাজমুল হুদা বলেন, মিজানের মতো উদ্যোক্তা কৃষকরা কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছেন। অফ-সিজন তরমুজ চাষ লাভজনক হতে পারে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তাকে প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।
কৃ/স/জয়
Email : kshomoynews@gmail.com<br></br>
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ কৃষি সময়