কৃষি সময়
প্রকাশ : Jul 29, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

দেশে সারের কোন ঘাটতি নেইঃ কৃষি মন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টারঃ কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই। সার নিয়ে সংকটের যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সরকার নির্ধারিত ন্যায্যমূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করে কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার দিনব্যাপী গাজীপুরের জয়দেবপুরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানসমূহ পরিদর্শনকালে এক ব্রিফিংয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে এছাড়া পাইপলাইনে পর্যাপ্ত সার সরবরাহ ও প্রাপ্যতা রয়েছে। কিছু অসাধু ব্যক্তি সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে সরকার অত্যন্ত সতর্ক রয়েছে। সার সরবরাহ ও বিক্রয় পরিস্থিতি আরও কঠোরভাবে মনিটরিং করা হবে। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে।

গবেষণা প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীকে এগিয়ে নিতে হলে গবেষণার জন্য গবেষণা নয়, মানুষের প্রয়োজন ও সময়ের চাহিদা অনুযায়ী গবেষণা করতে হবে। দেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যে অনেক নতুন জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে, যা কৃষক ও সাধারণ মানুষের উপকারে আসছে।

তিনি আরো বলেন, কোনো পণ্যের সরবরাহে ঘাটতি না থাকলে সেই পণ্যের দাম অযৌক্তিকভাবে বাড়ার কথা নয়। বাজারে পণ্য রয়েছে, সরবরাহও রয়েছেÑতাহলে দাম কেন বাড়ছে এবং এর পেছনে কী ধরনের মেকানিজম কাজ করছে, তা খুঁজে বের করতে হবে। কৃষিপণ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগ ও সংস্থাকে আরও সক্রিয় ও সচেতনভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে মৌসুমি বন্যা একটি বাস্তবতা। বিশেষ করে হাওড় অঞ্চলে আগাম বন্যার কারণে প্রায় প্রতি বছরই কৃষকরা ফসলের ক্ষতির মুখে পড়েন। এ সমস্যা মোকাবিলায় হাওড় অঞ্চলের উপযোগী নতুন ধানের জাত উদ্ভাবনের জন্য গবেষকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে একটি নতুন জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, আগামী মৌসুমেই হাওর অঞ্চলে নতুন জাতের প্রায় ৩০ টন বীজ সরবরাহ করা হবে। এর ফলে কৃষকরা আগের তুলনায় আরও আগে ধান কাটতে পারবেন। আগাম বন্যা ও বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই ধান কেটে ঘরে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে হাওড় অঞ্চলের কৃষকরা আগাম বন্যার ক্ষয়ক্ষতি থেকে অনেকটাই রক্ষা পাবেন।

এ সময় কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ উপস্থিত ছিলেন।

কৃ/স/জয়

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

খাদ্য উৎপাদন বাড়ার নেপথ্যে কৃষির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্

1

বৃক্ষ রোপনে আনসার-ভিডিপির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

2

অসহায় নারীদের মাঝে ৮৪টি বকনা গরু বিতরণ

3

শতকেজি আফ্রিকান মাগুর জব্দের পর ধ্বংস

4

১৪ লাখ কৃষকের কৃষিঋণ মওকুফ

5

কম দামে ও মড়কে ক্ষতিগ্রস্ত মরিচ চাষী

6

দুম্বা ও ছাগল পালনে তিন ভাইয়ের সাফল্য

7

গ্রিসে স্ট্রবেরি খাতে বাংলাদেশিদের দাপট

8

মাশরুম চাষে তিন বন্ধুর সাফল্য

9

তেলের দাম বাড়লো ৯০ ডলার

10

সার নিয়ে হার্ডলাইনে সরকার

11

নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

12

কাজীপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ চত্বরে বৃক্ষরোপণ

13

আধুনিক কসাইখানা হলে মাংস রপ্তানি বাড়বে

14

সবজির গ্রাম মীরের বাড়ি

15

তিন বছরে অগ্রগতি ২২ শতাংশ, এবার কি গতি ফিরবে পার্টনারে?

16

কাউনিয়ায় আখের ভাল ফলনে কৃষক খুশি

17

ফিড কারখানার ধোঁয়ায় অতিষ্ঠ মানুষ

18

গলদা -বাগদা চিংড়ি সংরক্ষণ করে পরিকল্পিত উৎপাদন বাড়াতে হবে

19

নদীর তীরে ভেসে এলো মৃত তিমি

20