কৃষি সময়
প্রকাশ : Jul 19, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

পৌরবর্জ্যে দুষণের শিকার নদী

জামালপুর প্রতিনিধিঃ জামালপুরের সরিষাবাড়ী পৌরসভায় নেই ময়লা ফেলার ডাম্পিং ষ্টেশন। ফলে শহরের বিভিন্ন পাড়া মহল্লার ময়লা,আর্বজনা,বর্জ্য সংগ্রহ করে উন্মুক্ত স্থান,জলাশয় এবং নদীতীরে ফেলা হচ্ছে। এতে জনস্বাস্থ্য এবং নদীর পরিবেশ দুষণের শিকার হচ্ছে। 

জানা যায়,১৯৯০ সালে প্রথম শ্রেণীর সরিষাবাড়ী পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। এই পৌল শহরে নাগরিক সেবার পরিধি বাড়লেও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো- একটি স্থায়ী স্যানিটারি ডাম্পিং স্টেশন আজো নির্মিত হয়নি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়কের পাশে, খোলা জায়গায় এবং জলাশয়ের আশপাশে বর্জ্য সাময়িকভাবে স্তূপ করে রাখা হচ্ছে। নির্দিষ্ট ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় এসব বর্জ্য দীর্ঘ সময় পড়ে থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে মশা-মাছির উপদ্রব বাড়ছে এবং আশপাশের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, শিমলা বাজার, আরামনগর বাজার, বিভিন্ন আবাসিক এলাকা এবং পৌরসভার অন্যান্য স্থান থেকে সংগ্রহ করা বর্জ্যের একটি অংশ পৌরসভার গাড়িতে করে কামরাবাদ এলাকার ঝিনাই নদীর তীরে ফেলা হচ্ছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি নদী দখল ও পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এছাড়া শিমলা ও আরামনগর বাজার এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার ময়লা ও দূষিত পানি সরাসরি সূবর্ণাখালী নদীতে গিয়ে পড়ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। 

তাড়িয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা সুমন শিকদার বলেন, শিমলা বাজার থেকে শিমলাপল্লী যাওয়ার পথে রাস্তার পাশে ভাগাড়ের কারণে নাক চেপে চলতে হয়। এতে আমাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বাসাবাড়িতে স্বাভাবিকভাবে থাকা যায় না। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাও করা হয় না।

জামালপুর পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি ও পরিবেশবিদ জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ছাড়া কোনো পৌর এলাকার টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। অপরিকল্পিতভাবে বর্জ্য ফেলায় মাটি, পানি ও বায়ু দূষিত হয় এবং জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ে। একটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় আধুনিক স্যানিটারি ডাম্পিং স্টেশন না থাকা বড় ধরনের অবকাঠামোগত ঘাটতির পরিচায়ক। 

এমন অভিযোগের বিষয়ে সরিষাবাড়ী পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) লিজা রিছিল বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনা পাওয়ার পর জমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে স্যানিটারি ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কৃ/স/জয়


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

তরমুজ চাষে জাকিরের বাজিমাত

1

খাগড়াছড়িতে ২১ মেট্রিক টন সার জব্দ

2

পাহাড়ে সম্ভাবনা দেখাচ্ছে লেমন গ্রাস

3

সারা দেশে সার নিয়ে কৃষকের অসন্তোষ বাড়ছে

4

কৃষকের ৬০ শতক জমির কাঁকরোলগাছ কেটে দিল দুর্বৃত্ত

5

বিএডিসির বেতনগ্রেড অবনমনে আজ থেকে আন্দোলনে ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা

6

মিয়ানমারে পাচারের সময় সার ও সিমেন্ট সহ আটক ৬

7

তরমুজ চাষে খোরশেদের ভাগ্য বদল

8

গুচ্ছের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চূড়ান্ত ভর্তির সময় বাড়ল

9

সব বিভাগে ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে: প্

10

চুইঝাল চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের

11

শখ থেকে লাখ টাকার ব্যবসা মুনের

12

৯৮ প্রজাতির বৃক্ষ সংরক্ষণের উদ্যোগ

13

লংগান চাষে সাফল্য পেয়েছেন প্রিয়দর্শী চাকমা

14

মেহেরবানি করে চাঁদাবাজি করবেন না, রাজশাহীতে কর্মী সম্মেলনে জ

15

পাট নিয়ে বিপাকে জয়পুরহাটের চাষীরা

16

হাজার কোটি টাকার ছাড়াবে সিরাজগঞ্জের সরিষাকেন্দ্রিক বাণিজ্য

17

মিয়ানমারে পাচারের সময় ৬০০ বস্তা সার জব্দ

18

১১ লাখ টন সার আমদানির অনুমোদন

19

সাম্মাম চাষে দুই উদ্যোক্তার ভাগ্য বদল

20