কঙ্বাজার সংবাদদাতাঃ
কঙ্বাজারের টেকনাফে লবণাক্ত মাঠে স্বল্পমেয়াদি প্রজাতি ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে এবার। এখানকার প্রায় ৭শ’হেক্টর জমিতে এবার ধান চাষাবাদ করে বাম্পার ফলন ফলন পাওয়ায় চাষীদের মুখে হাসি ফুটেছে। বাল ফলন মেলায় এখানকার বাকি পতিত জমিতেও চাষীরা ধান চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।
জানা যায়,উপজেলার হোয়াইক্যং, হ্নীলা, টেকনাফ সদর, সাবরাং-শাহপরীর দ্বীপ ও বাহারছড়া উপকূলীয় এলাকায় প্রায় ৭শ’হেক্টর পরিত্যক্ত লবণাক্ত মাঠে চাষাবাদ হতো না। স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরার্মশে চাষীরা এখানে ব্রিধান-৩৪, ব্রিধান-৫১,৫২, নুনাস প্রজাতির স্বল্পমেয়াদি ধান চাষাবাদ করেন। আবহাওয়া অনুকুলে থাকা এবং সঠিক পরিচর্যায় এসব জমিতে ধানের ভালো ফলন হয়েছে। চাষীরা আশা করছেন,কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হানা না দিলেই, প্রতি ৪০ শতকে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ আরি ধান উৎপাদন হতে পারে। অনেক জমিতে এর চেয়ে বেশি ফলন হতে পারে।
আন চাষীরা জানান,লবনাক্ত জমিতে নতুন জাতের ভাল ফলন দেখা যাচ্ছে। আমরা এমন ফলন হবে আশা করিনি। আমাদের দেখাদেখি আগামীতে এ অঞ্চলে বাকী অনাবাদি জমিও চাষাবাদের আওতায় আসবে।
টেকনাফ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির জানান, টেকনাফ উপজেলায় দিনদিন লবণ মাঠে ধানচাষ বেড়ে যাচ্ছে। তার একমাত্র কারণ চাষিরা জানত না যে লবণ মাঠে ধান চাষ হয়।
আমাদের টেকনাফ উপজেলা কৃষি অফিস উদ্যোগ নিয়ে লবণ চাষের জমিতেও যে ধান চাষ সম্ভব হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কৃষকদের সাথে আমরা আউটডোর ও ইনডোরে পরামর্শ ও সেমিনার করি। লবণ মাঠে কীভাবে ধান চাষ সফল হবে, এ বিষয়ে আলাপ আলোচনা করি এবং তাদের উদ্বুদ্ধ করি। পাশাপাশি অতিরিক্ত বরাদ্দ থেকে সার এনে সার দেওয়ার ব্যবস্থা করি। আগামীতে কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা ও প্রণোদনার ব্যবস্থা করব।
কৃ/স/জয়